নতুন এই আইফোনটি বইয়ের মতো ভাঁজ করা যায়। সম্পূর্ণ খুললে এতে পাওয়া যাবে ৭.৬ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে, যা বর্তমানে iPhone 18 Pro-এর তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি স্ক্রিন জায়গা দেয়। ভাঁজ করা অবস্থায় ফোনটি তুলনামূলকভাবে ছোট এবং সহজে পকেটে রাখা যাবে।
iPhone Duo-এর বড় আকর্ষণগুলোর একটি হলো এর মাল্টিটাস্কিং সুবিধা। ব্যবহারকারীরা একই সময়ে স্ক্রিনে দুটি অ্যাপ চালাতে পারবেন। এমনকি একই ওয়েবসাইটের দুটি উইন্ডো পাশাপাশি খুলে তুলনা করার সুবিধাও থাকবে।
Apple প্রথমবারের মতো iPhone-এ Apple Pencil ব্যবহারের সুবিধাও দিয়েছে। এতদিন Apple Pencil মূলত iPad-এর সঙ্গে ব্যবহারের জন্য পরিচিত ছিল।
তবে নতুন এই প্রযুক্তির দামও বেশ চড়া। iPhone Duo-এর starting price ১,৯৯৯ মার্কিন ডলার। Apple জানিয়েছে, ফোনটি আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে বাজারে পাওয়া যাবে।
Apple-এর এই পদক্ষেপ ফোল্ডেবল ফোনের বাজারে নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে। Samsung, Huawei, Google এবং অন্যান্য নির্মাতা ইতোমধ্যে ফোল্ডেবল ফোন বাজারে এনেছে। Apple এবার নিজস্ব ডিজাইন, সফটওয়্যার ও ইকোসিস্টেমের সুবিধা কাজে লাগিয়ে এই বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে চাইছে।
iPhone Duo-এর পাশাপাশি Apple নতুন iPhone 18 Pro এবং iPhone 18 Pro Max মডেলও উন্মোচন করেছে। নতুন মডেলগুলোতে উন্নত ক্যামেরা, ব্যাটারি, দ্রুত চার্জিং এবং AI-কেন্দ্রিক Siri সুবিধার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, iPhone Duo Apple-এর জন্য শুধু নতুন একটি ফোন নয়—ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক প্রবেশও এটি। এখন দেখার বিষয় হলো, প্রায় ২ হাজার ডলারের এই ফোন সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারে।
